কম পুঁজিতে লাভজনক ছোট ব্যবসা

আমাদের অনেকেরই ইচ্ছা থাকে ব্যবসা করার। হোক সেটা ছোট বা বড়। অনেকেই কম পুঁজিতে লাভজনক ছোট ব্যবসা দিয়ে শুরু করতে চায়। কম পূঁজিতে লাভজনক ছোট ব্যবসা দাঁড় করানো কঠিন হলেও অবাস্তব কিছু না।কিন্তু পুঁজি না থাকার

কম পুঁজিতে লাভজনক ছোট ব্যবসা

কারণে অনেকে সাহস করে আর সামনে এগোতে পারে না। তবে সঠিক পরিকল্পনা কৌশল এবং ধৈর্য থাকলে অল্প পুঁজিতেও লাভজনক ছোট ব্যবসা শুরু করা সম্ভব। কম পুঁজিতে লাভজনক ছোট ব্যবসা শুরু করার বাস্তবসম্মত গাইড নিচে তুলে ধরা হলো।

পেজ সূচিপত্র : কম পুঁজিতে লাভজনক ছোট ব্যবসা

কম পুঁজিতে লাভজনক ছোট ব্যবসার বাস্তবসম্মত আইডিয়া

আপনার যদি ইচ্ছা থাকে ব্যবসা করার আর শুরুতে যদি আপনার পুঁজি থাকে কম, তাহলে এ আর্টিকেলটি আপনার জন্য। পুঁজি কম মানে এই না যে আপনি কোনো ব্যবসা শুরু করতে পারবেন না। অল্প বা কম পুঁজিতে লাভজনক ছোট ব্যবসা বাস্তবসম্মত আইডিয়া নিয়ে এই আর্টিকেলটি সাজানো হয়েছে। চলুন দেখে নেই, অল্প বিনিয়োগে কিছু ছোট ব্যবসার বাস্তবসম্মত উদাহরণ। যেমন- অনলাইনে পোশাক ব্যবসা, হোমমেড ফুড ব্যবসা, ড্রপশিপিং ব্যবসা, নার্সারি তৈরি ব্যবসা, জুসবারের দোকান, ফটোগ্রাফি ব্যবসা ইত্যাদি। 

উপরোক্ত সব ব্যবসা আপনি অল্প পুঁজিতে ছোট পরিসরে শুরু করতে পারবেন। ব্যবসার জন্য আইডিয়া পাওয়া সহজ হলেও তা বাস্তবায়ন করা মোটেও সহজ না। একটি ব্যবসা শুরু করার জন্য যেমন প্রয়োজন অর্থের, তেমনভাবে প্রয়োজন সাহস, ধৈর্য এবং সঠিক পরিকল্পনা। সঠিক পরিকল্পনা মেনে আপনি যদি এগিয়ে যেতে পারেন, তাহলে আপনার এই ছোট ব্যবসাকে একসময় আপনি বড় ব্যবসায় রূপান্তর করতে পারবেন। উপরিউক্ত ব্যবসার আইডিয়াগুলো থেকে বাংলাদেশে অল্প পুঁজিতে কিভাবে ব্যবসা শুরু করবেন আসুন বিস্তারিত জেনে নেই।

কম পুঁজিতে অনলাইন পোশাক ব্যবসা

বাংলাদেশের মানুষের পছন্দের তালিকার শীর্ষে রয়েছে অনলাইন পোশাক ব্যবসা। আপনি ঘরে বসে অনলাইনের মাধ্যমে এ পোশাক ব্যবসা শুরু করতে পারেন। এই ব্যবসা শুরু করার জন্য বড় ধরনের বিনিয়োগের প্রয়োজন হয় না। সঠিক পরিকল্পনা ও ধৈর্য নিয়ে কাজ করলে খুব অল্প সময়ে আশানুরূপ ফল পাওয়া যায়। অনলাইনে কিভাবে পোশাক ব্যবসা শুরু করবেন চলুন দেখে নেয়া যাক -
  • প্রথমেই সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম যেমন- ফেসবুক (Facebook), ইন্সাগ্রাম ( Instagram) ইত্যাদিতে আপনার একটি পেজ বা একাউন্ট তৈরি করতে হবে।
  • এই পেজ বা একাউন্টে আপনার দর্শকের উপস্থিতি বাড়াতে হবে।
  • তারপর আপনি কি ধরনের পোশাক নিয়ে ব্যবসা শুরু করতে চাচ্ছেন তা নির্ধারণ করতে হবে। যেমন - ছেলেদের পোশাক মেয়েদের পোশাক বাচ্চাদের পোশাক ইত্যাদি 
  • অবশ্যই অল্প টাকায় ও কম পরিমাণে পাইকারি বাজার থেকে পণ্য আপনাকে সংগ্রহ করতে হবে। 
  • তারপর আপনার পেজ বা একাউন্টে সেই পণ্যের ছবি বা ভিডিও নিয়মিত পোস্ট করতে হবে। 
  • সবশেষে, অবশ্যই আপনার পণ্যের কোয়ালিটি ভালো রাখতে হবে। 
এ ব্যবসা আপনি ১০-২০ হাজার টাকা হলে শুরু করতে পারবেন। পোশাক ব্যবসায় খরচের তুলনায় লাভের পরিমাণ বেশি হয়। আপনি চাইলে প্রতিটি পণ্যে ২০-৩০% পর্যন্ত লাভ করতে পারবেন। শুধু প্রয়োজন ধৈর্য এবং সঠিক পরিকল্পনার।

কম পুঁজিতে হোমমেড ফুড ব্যবসা

বাংলাদেশে ঘরোয়া খাবারের চাহিদা অনেক বেশি এবং এই চাহিদা দিন দিন আরো বৃদ্ধি পাচ্ছে। আপনি যদি চান ঘরে বসে ব্যবসা করতে এবং সেটি যদি হয় ঘরোয়া খাবারের ব্যবসা তাহলে এটি হতে পারে আপনার জন্য সব থেকে উপযুক্ত ব্যবসার মাধ্যম। হোমমেড খাবারের ব্যবসার জন্য খুব বেশি পুঁজির প্রয়োজন হয় না। খাবারের কোয়ালিটি ঠিক রেখে কাজ করতে পারলে এ ব্যবসায় খুব সহজেই উন্নতি লাভ করা যায়। 

হোমমেড ফুড ব্যবসার জন্য প্রথমে আপনাকে নির্বাচন করতে হবে আপনি কোন খাবার নিয়ে ব্যবসা করতে চান। বাংলাদেশে যেসব খাবার চাহিদার শীর্ষে রয়েছে বা গ্রাহকের পছন্দের তালিকায় সবার আগে হয়েছে সেগুলো নিয়ে আপনি কাজ করতে পারেন। যেমন - হোমমেড ফাস্টফুড, কেক, পিঠা, আচার, বেকারি আইটেম, হোম ডেলিভারি মিল, বিভিন্ন ধরনের ফ্রোজেন ফুড ইত্যাদি। মানুষ বাহিরের খাবারের তুলনায় ঘরের খাবার খেতে বেশি পছন্দ করে থাকে।

শুরুর দিকে অনেক খাবারের দিকে ফোকাস না করে একটি খাবারে ফোকাস করুন। মানুষ কোন ঘরোয়া খাবার বেশি পছন্দ করে তা খুঁজে বের করুন এবং সেটি নিয়ে কাজ শুরু করুন। কম পুঁজিতে হোমমেড ফুড ব্যবসা শুরুর জন্য কাঁচামাল, প্যাকেজিং ও আপনার খাবারের মার্কেটিং এর জন্য ১০-১৫ হাজার টাকা প্রয়োজন। এ টাকা দিয়ে খুব সহজেই ঘরে বসে আপনি হোমমেড ফুডের ব্যবসা করতে পারবেন। খাবারের ব্যবসার জন্য অবশ্যই আপনাকে লাইসেন্স এবং আইনগত বিষয় সম্পর্কে অবগত থাকতে হবে। 

কম পুঁজিতে ড্রপশিপিং ব্যবসা

ড্রপশিপিং ব্যবসা শুরু করার আগে ড্রপশিপিং সম্পর্কে আমাদের ভালোভাবে জানতে হবে। এটি এমন একটি ব্যবসা যেখানে পণ্য মজুদ বা স্টক করতে হবে না। আপনার একটা অনলাইন দোকান থাকবে এবং সেই দোকান থেকে গ্রাহক পণ্যটি অর্ডার করলে আপনি সরাসরি সাপ্লায়ার বা সরবরাহকারীর কাছে সে তথ্যটি পাঠিয়ে দিলে, সাপ্লাইয়ার তখন সরাসরি পণ্যটি গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দেয়। এ ব্যবসা প্রক্রিয়াটির নামই হল ড্রপশিপিং। চলুন দেখি নেই কিভাবে আপনি এই ড্রপশিপিং ব্যবসা শুরু করবেন - 

১) প্রথমে আপনাকে অনলাইন শপ তৈরি করতে হবে, যেমন : shopify, facebook পেজ, Instagram একাউন্ট ইত্যাদি। 
২) এরপর আপনি নির্ভরযোগ্য সাপ্লায়ার যেমন- আলিবাবা এক্সপ্রেস (Alibaba Express) বা স্থানীয় পাইকারদের সাথে কাজ করতে পারেন। 
৩) এখন আপনাকে একটি নির্দিষ্ট নিষ্পাপ পণ্যের ধরন নির্বাচন করতে হবে যেমন - গেজেট, বিউটি প্রোডাক্ট, ফ্যাশন, কিচেন প্রোডাক্ট, ছোটদের খেলনা, গ্রোসারিস ইত্যাদি। 
৪) সবশেষে আপনার পণ্য বিক্রির জন্য মার্কেটিং যেমন - ফেসবুক বিজ্ঞাপন, অর্গানিক পোস্ট, ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং ইত্যাদি শুরু করতে হবে।

এরপর গ্রাহক আপনার পণ্য অর্ডার করলে সেই তথ্য সাপ্লায়ারের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। 
এ ব্যবসা শুরু করার জন্য আপনাকে দুই ধাপে টাকা খরচ করতে হবে। প্রথমত, আপনার ওয়েবসাইটের ডোমেইন কেনার জন্য ২০০০-২৫০০ টাকা ব্যয় করতে হবে এবং দ্বিতীয়ত, আপনার পণ্যের মার্কেটিং বা বিজ্ঞাপনের জন্য ৫-১০ হাজার টাকা খরচ করতে হবে।

কম পুঁজিতে নার্সারি তৈরির ব্যবসা

বাংলাদেশে অনেক সৌখিন মানুষ রয়েছে যারা গাছ অনেক পছন্দ করে। হোক সেটা বাড়ির উঠোনে, ছাদে কিংবা বারান্দায়। পরিবেশ সচেতনতা, শৌখিনতা, ইকো ফ্রেন্ডলি লাইফস্টাইল, গার্ডেনিং ট্রেন্ড ইত্যাদির কারণে নার্সারি ব্যবসা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। কম পুঁজিতে নার্সারি ব্যবসা অবাস্তব কিছু না আপনি চাইলেই অল্প পুঁজি নিয়ে এ ব্যবসা শুরু করতে পারবেন। আসুন জেনে নিন, কিভাবে কম পুঁজিতে নার্সারি ব্যবসা শুরু করবেন -

১) প্রথমে নার্সারির জন্য নির্ধারিত জমি চারা রোপনের জন্য প্রস্তুত করতে হবে।
২) ভালো মানের চারা নির্বাচন করতে হবে যেন সেগুলো দ্রুত বাড়ে, সহজে বিক্রি হয় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি থাকে।
৩) আপনার উৎপাদনকৃত যারা লোকাল মার্কেটে বা অনলাইনের মাধ্যমে বিক্রি করতে পারবেন।
৪) প্রতিটি চারা উৎপাদন করতে আপনার যদি ১০-১২ টাকা খরচ হয় তাহলে আপনি তা ১৫-২০ টাকায় বিক্রি করতে পারবেন।

আপনি যদি কম পুঁজি নিয়ে নার্সারি তৈরি করতে চান তাহলে সর্বনিম্ন ২০ হাজার টাকার মধ্যে আপনি এ নার্সারি ব্যবসা শুরু করতে পারবেন। শুরুতে কম করে চারা বা বীজ নিয়ে এসে তা উৎপাদন করতে হবে। চারা বা বিজ বাবদ ৫০০০ টাকা, পলিব্যাগ বা টব বাবদ ৪ হাজার টাকা, মাটি ও সার বাবদ ৫ হাজার টাকা, বিভিন্ন সরঞ্জাম যেমন - কোদাল, স্প্রে ইত্যাদির জন্য আরও ৩ হাজার টাকা এবং পানি শেষ ব্যবস্থার জন্য আরো ২ হাজার টাকা। এভাবে কম পুঁজিতে আপনি নার্সারি তৈরির ব্যবসা শুরু করতে পারেন। যা আপনার জন্য হতে পারে অনেক লাভজনক।

কম পুঁজিতে জুস বারের দোকান

গরমের সময় নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য এটি একটি অভিনব আইডিয়া কম পুঁজিতে ছোট ব্যবসা শুরু করার জন্য। গ্রীষ্মকালীন বা গরমের সময় মানুষ একটু শান্তির খোঁজে ঠান্ডা কিছু খেতে চায়। এ সময় ফলের রসের জুসের চাহিদা অনেক বেশি থাকে। মানুষ চায় তীব্র গরমের মধ্যে একটু স্বস্তির স্বাদ। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রতিটি জায়গাতেই আপনি অনেক জুসবার দেখতে পাবেন। এ ব্যবসায় অন্যান্য ব্যবসা গুলোর তুলনায় একটু খরচ বেশি হলেও এটি থেকে লাভ আসার সম্ভাবনাও অনেক বেশি থাকে। চলুন জেনে নেই কিভাবে কম পুঁজিতে এবং কি পদ্ধতিতে আপনি জুসবারের দোকান দিবেন -

১) প্রথমে আপনাকে জুস তৈরির সকল সরঞ্জাম পাইকারি বাজার থেকে কম দামে কিনতে হবে।
২) এরপর আপনাকে স্কুল কলেজ, অফিস, হাসপাতাল ইত্যাদির মতো জনবহুল এলাকা নির্বাচন করতে হবে।
৩) জনবহুল এলাকা কিন্তু দোকান ভাড়া অনেক কম এরকম নির্বাচন করুন।
৪) আপনার দোকানের লাইসেন্স এবং আইনগত বিষয়ে অবশ্যই অবগত থাকতে হবে।

আনুষাঙ্গিক খরচ : দোকান ভাড়া ১০ হাজার টাকা, জুস তৈরির সরঞ্জামাদি জুস ব্লেন্ডার অথবা জুস মেশিন ১০-১২ হাজার টাকা, ফ্রিজ বাবদ ২০ হাজার টাকা, গ্লাস এজিং বাবদ ৮-১০ হাজার টাকা, দোকানের ডেকোরেশন এর জন্য আরো ২০ হাজার টাকা, কাঁচামাল বাবদ আরও ৮-১০ হাজার টাকা।
এভাবে কম পুঁজিতে খুব সহজেই জুসবারের দোকান দিয়ে ব্যবসা শুরু করা সম্ভব। একটি ফলের অর্গানিক জুস বানাতে যদি থেকে ৪০ টাকা খরচ হয় তাহলে আপনি এটি খুব সহজেই ৬০-৭০ টাকায় বিক্রি করতে পারবেন। এভাবে আপনি যদি দিনে কমপক্ষে ১০০-১৫০ গ্লাস জুস বিক্রি করতে পারেন তাহলে পরে আপনার ৪-৫ হাজার টাকা লাভ থাকবে। মাস শেষে যা গিয়ে দাঁড়াবে ১-১.৫ লক্ষ টাকায়।

কম পুঁজিতে ফটোগ্রাফি ব্যবসা

ফটোগ্রাফি ব্যবসা কম পুঁজিতে খুব ভালো একটি উদ্যোগ হতে পারে আপনার জন্য। বর্তমানে মানুষ অনেক আধুনিক হয়েছে। এখন বিয়ে, জন্মদিন, সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্ট, কর্পোরেট ইভেন্ট ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠানে ফটোগ্রাফি বা ছবি উঠিয়ে থাকে। আপনার যদি একটি ক্যামেরা বা ডিএসএলআর থাকে তাহলে ফটোগ্রাফি করে খুব সহজেই ভালো একটা শুরু করতে পারবেন। এটি একটি লাভজনক পেশার কারণ বাংলাদেশে এখন প্রতিনিয়ত জন্মদিন, বিভিন্ন ধরনের প্রোগ্রাম, সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্ট ইত্যাদি ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। আসুন দেখে নেই কিভাবে কম পুঁজিতে ফটোগ্রাফি ব্যবসা পড়তে পারবেন -

১) প্রথমেই জন্য আপনার প্রয়োজন একটি ভালো মানের ক্যামেরা।
২) এর সাথে আনুষাঙ্গিক সরঞ্জামাদি যেমন - লেন্স, লাইটিং, এডিটিং সফটওয়্যার ইত্যাদি প্রয়োজন।
৩) আপনার ফটোগ্রাফি একটি ফেসবুক পেজ বা youtube চ্যানেল তৈরি করুন। যেখানে আপনি আপনার ফটোগ্রাফি বা ব্র্যান্ডের প্রমোশন করতে পারবেন।
৪) প্রয়োজনে আপনি একটি ওয়েবসাইট তৈরি করুন যেখানে আপনার ফটোগ্রাফি পোর্টফলিও থাকবে। 
৫) এরকম সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম গুলো থেকে ক্লাইন্ট এর সাথে যোগাযোগ করুন এবং খুব সহজেই কম পুঁজিতে ফটোগ্রাফি ব্যবসার মাধ্যমে আয় করুন।

শেষ কথা : কম পুঁজিতে লাভজনক ছোট ব্যবসা

বসে না থেকে আজি শুরু করে দিন আপনার স্বপ্নের ব্যবসার যাত্রা। বর্তমানে ডিজিটাল এই যুগে কম পুঁজিতে ছোট ব্যবসা অবাস্তব বা কঠিন কিছু না। বাংলাদেশে ক্ষুদ্র ব্যবসার সুযোগ দিন দিন ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। উপরে বেশ কিছু কম পূঁজিতে লাভজনক ছোট ব্যবসার আইডিয়া আপনাদের সাথে শেয়ার করা হয়েছে। যা অবশ্যই বাস্তবসম্মত এবং লাভজনক। তবে মনে রাখতে হবে ব্যবসাকরতে প্রয়োজন ধৈর্য, সময়, পরিশ্রম এবং সঠিক পরিকল্পনার। সঠিক পরিকল্পনা মত কাজ করলে ব্যবসাকে ছোট থেকে বড় পর্যায়ে নিয়ে যেতে সক্ষম হবেন।

আপনি যদি নিজের স্বাবলম্বী হতে চান এবং স্বাধীনভাবে কাজ করতে চান তাহলে আজই কম পুঁজিতে লাভজনক ছোট ব্যবসার উদ্যোগ হাতে তুলে নিন। তবে খেয়াল রাখতে হবে শুধু পরিশ্রম দিলে চলবে না কৌশলগতভাবে ব্যবসা ছোট হোক বা বড় অবশ্যই আপনার পণ্যের বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মার্কেটিং করতে হবে। এর ফলে সবার কাছে আপনার পণ্য বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের তথ্য পৌঁছাবে। যা আপনার ব্যবসা প্রসারের জন্য অনেক সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। সুতরাং, আপনি যদি কম পুঁজিতে লাভজনক ছোট ব্যবসা শুরু করতে চান তাহলে আপনার ব্যবসার উদ্যোগ তুলে নিন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

Mst. Sabina Yasmin
Mst. Sabina Yasmin
টিপসমাষ্টার ২৪ একটি নির্ভরযোগ্য তথ্যভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম যেখানে অনলাইন ইনকাম, লাইফস্টাইল এবং তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সহজ ভাষায় মানসম্মত কনটেন্ট শেয়ার করা হয়।